dainik shomoy | logo

২৩শে চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ৬ই এপ্রিল, ২০২০ ইং

ভগ্ন সুইজগেট ও ভগ্ন  ভেড়ীবাদের উপর অবৈধ নাইনটি স্থাপন না করার, প্রসঙ্গে

প্রকাশিত : মার্চ ২১, ২০২০, ০৬:২৭

ভগ্ন সুইজগেট ও ভগ্ন  ভেড়ীবাদের উপর অবৈধ নাইনটি স্থাপন না করার, প্রসঙ্গে

 শ্যামনগর প্রতিনিধিঃ

 গত ১৭ ই ফেব্রুয়ারি সাতনদী পত্রিকা এবং অনলাইনে বুড়িগোয়ালিনী কারিতাস নির্মিত পানি উন্নয়ন বোর্ডের সুইচ গেট বন্ধ করে দেওয়ার একটা নিউজ হয়েছিল, সেই নিউজে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পর্যবেক্ষণের জন্য পাঠান, শ্যামনগর উপজেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা মহোদয়গণ সরজমিনে তদন্ত পূর্বক এই সুইচ  গেটটা সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেওয়ার আশ্বাস দেন,। তবে কেমন ভাবে এই ভগ্ন সুইচ গেট এর  উপর দিয়ে নাইনটি বসানোর অনুমোদন দেন বিষয়টি স্থানীয় জনগণের বোধগম্য নয়। শ্যামনগর উপজেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের এস ও কে অবহিত করলে তিনি পাইপ উঠিয়ে নেওয়ার কথা বলেন।

 কিন্তু যাহারা নাইনটি বসানোর কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বিষয়গুলো তারা কর্ণপাত করছেন না, তবে এখানে কি বুঝবো এস ওর যোগ সোযোগ আছে?
 তাই যদি না থাকে তাহলে এমন সাহস কিভাবে পায়। যেসকল ঘের মালিকগণ এই নাইটি বসানোর কাজে আছে তারা হলেন(১)নিশি কান্ত মিস্তী
(২) উৎপল মিস্ত্রী।
( ৩) সুপেন্দ্র নাথ মিস্ত্রী 
(৪) দীপক মিস্ত্রী।
( ৫) শিমুল হোসেন।
(৬) যতীন্দ্র নাথ মিস্ত্রী
(৭) নিরঞ্জন মিস্ত্রী।
(৮) দেবাশীষ মিস্ত্রী।
(৯) সোহরাব হোসেন।
(১০) মুজিবুর রহমান( নরিম)
(১১) যোগেশ মহালদার।
 এখান দিয়ে ভেঙে পানি ঢুকলে দায়ভার কি এই ঘের মালিকগণ নেবে?
 স্থানীয় সচেতন মহলের ধারণা শ্যামনগর পানি উন্নয়ন বোর্ডের এস ওর যোগ সোযোগে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এই নাইটি বন্ধ না করলে কি কি অসুবিধা হবে 
১৭ই ফেব্রুয়ারির সাত নদীর অনলাইন থেকে তুলে ধরলাম। পানি উন্নয়ন বোর্ড যদি অন্ধ না হয়ে থাকে
 বিষয়টা নিয়ে একটু চিন্তা করার জন্য বলা গেল।

শ্যামনগর উপজেলার ৯ নং বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন ইউপি সদস্য জি, এম, সাইফুল ইসলামের বাসা সংলগ্ন কারিতাসের নির্মিত তৃতীয় মৎস্য চাষ প্রকল্পের আওতায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের সুইচগেট যেকোনো মুহূর্তে প্লাবিত হতে পারে এই আশঙ্কায় ভুগছে অত্র এলাকার জনসাধারণ।
অত্র সুইচগেট নির্মাণের সময় এলাকা একবার সর্বস্বান্ত হয়েছিল প্লাবিত হয়ে। পক্ষান্তরে সর্বনাশা আইলার সময়ও একই অবস্থা। সিডরের সময় কি অবস্থা। সর্বশেষ বুলবুলের তাণ্ডবে এই বেহাল সুইজগেট এর কারণে প্রতিটা মৎস্য ঘের মালিকগণ সর্বস্বান্ত হয়েছে। বর্তমানে সুইজগেট সংলগ্ন পানি উন্নয়ন বোর্ডের রাস্তা একদম নাই বললেই চলে। এবার এখান থেকে পানি ভিতরে প্রবেশ করলে এই এলাকার ৪০০ পরিবার যে পুকুরের পানি খেয়ে জীবন ধারণ করে থাকে সেই মিষ্টি পানীর পুকুরটাও ধ্বংস হয়ে যাবে। বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ধ্বংস হয়ে যাবে। বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের একমাত্র প্রসূতি মায়েদের সেবাদান কেন্দ্র F,W,C, হসপিটাল সেটাও ধ্বংস হয়ে যাবে। বহুবার লেখার পরেও পানি উন্নয়ন বোর্ড বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় সাতক্ষীরা ৪ আসনের জনবান্ধব সংসদ সদস্য এস এম জগলুল হায়দার সহ জেলা প্রশাসক মহোদয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করছে অত্র এলাকার জনসাধারণের যাহাতে সুইজগেট গুলো অচিরেই বন্ধ করে দেওয়ার জন্য।
যাহাতে বুড়িগোয়ালিনী মিস্ত্রী বাড়ির মিষ্টি পানির পুকুর সহ এলাকার রক্ষা পায় তার জন্য সুদৃষ্টি কামনা করছে অত্র এলাকাবাসী।
এই তৃতীয় মৎস্য চাষ প্রকল্পের সুইজগেট সম্পর্কে অত্র ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ভবতোষ কুমার মন্ডল এর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, এই ভগ্ন সুইজগেট গুলো নিয়ে বহুবার শ্যামনগরে প্রশাসনের মাসিক সভায় আলোচনা করেছি। পানি উন্নয়ন বোর্ড সুইজগেট গুলো বন্ধ করার আশ্বাস দিয়েছেন।




সম্পাদক ও প্রকাশক :

অফিস লোকেশন:

ফোন:

ই-মেইল:

Copyright  @ JagoBarta.  All right reserved. Website Hosted by www.bdwebs.com