dainik shomoy | logo

২রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১৬ই মে, ২০২১ ইং

শ্যামনগর সংখ্যালঘুর দোহায় দিয়ে ভূমিহীন দের উপর অত্যাচার ও ভূমিহীনদের বসতভিটা জায়গা দখলের চেষ্টা

প্রকাশিত : এপ্রিল ৩০, ২০২১, ১৪:৪৭

শ্যামনগর সংখ্যালঘুর দোহায় দিয়ে ভূমিহীন দের উপর অত্যাচার ও ভূমিহীনদের বসতভিটা জায়গা দখলের চেষ্টা

স্টাফ রিপোর্টার: শ্যামনগর উপজেলার সদরে কাঁচড়াকাঠি নন্দী গ্রামে কয়েকটা গরীব অসহায় ভূমিহীন পরিবার দীর্ঘদিনের বসাবসকৃত সরকারী ১ নং খাস খতিয়ানভূক্ত সম্পওি অন্যায় ভাবে সম্পূর্ণ গায়ের জোরে জবর দখলের চেষ্টা সহ তাদের বসত ভিটা থেকে উৎখাত / বিতারিত এবং উচ্ছেদ করার পাইতারা করার আভিযোগ।

প্রতিদনের ন্যায় সোমবার সবাই যখন রোজা রেখে ইফতার সেরে বাড়ির পরিবার পরিজন নিয়ে টুকিটাকি কাজ করছিলো ঠিক সেই মুহূর্তে কিশোরী মোহন মন্ডল,উৎপল মন্ডল,হিমাংশু মন্ডল,প্রদীপ কুমার মন্ডল, নেতৃত্বে ১০/১২ জন একটি সংঘবদ্ধ চক্র বাড়ির সামনে এসে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে এবং কাজে বাধা প্রদান করে বলে বাবা দাদার সম্পত্তি পাইছেন ও ঘরবাড়ি ভেঙে এখান থেকে বিতাড়িত করবে বলে বারবার হুমকি-ধামকি দিতে থাকে।

বসবাস কৃতরা হলেন সাখাওয়াত হোসেন(৫৫)পিং মৃতঃ খালেক মোল্লা,আঃগফফার(৬৫)পিং মৃতঃ গহর আলি,সামছুর রহমান (ধুলো) ৫৭)পিং মৃতঃ মাদা,ফুলি বিবি(৪২)স্বামী আসাদ শেখ,হালিমা খাতুন(55)জং শফিকুল মোল্লা,রেশমা(২৬),নাজমা(৪০),মজিদা(৩৫),হামিদা(৫৬),নাজমা (২৬),সুফিয়া(৪৫)
ভূমিহীনরা একসাথে হয় বলে দাদা আমরা সারাদিন রোজা ছিলাম আপনারা এমন করছেন কেন? প্রায় সময় এরকম গালিগালাজ করেন, জমির কিন্তু আমাদের ডিসিআর রয়েছে সরকার আমাদের দিয়েছে আপনারা বিরক্তি করেন কেন আমাদের কেন এভাবে তাড়াতে চান একপর্যায়ে অনেক লোকজন জড়ো হলে তারা বলেন সংখ্যালঘুদের সাথে পাঙ্গা নেওয়া ভাল হবে না বলে চলে যায়।পরে রাতে পুলিশ ডেকে এনে বলে তাদের জায়গা দখল হয়ে যাচ্ছে পুলিশের এসআই ছানি সকলকে বলেন আগামীকাল থানায কাগজপত্র নিয়ে আসবেন!
পরের দিন ভূমিহীন গন তাদের কোর্টের রায় সহ ডিসি আর দেখাতে পারলেও দলবদ্ধ চক্রটি থানায় হাজির হলেও দেখাতে পারেনি কোন কাগজপত্র।

সম্পত্তিটা ডি.এস খতিয়ানে সর্ব সাধারণের ব্যবহার্য খাল ছিল পরবর্তীতে তারা জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে তাদের নামে রেকর্ড করে নেওয়ার পর বাকি খাজনার দায়ে সরকার পক্ষ নিলাম খরিদ করেন এবং বিএস জরিপে(হাল)সরকারের নামে ১ নাম্বার খাস খতিয়ানে রেকর্ড প্রকাশিত হলে পরবর্তীতে ভূমিহীনদের মাঝে ১৩/১৪ জনের নামে বন্দোবস্ত দিয়ে সহকারি কমিশনার (ভূমি) শ্যামনগর, কানুনগো, সার্ভেয়ার ও ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার উপস্থিতিতে মাপ জরিপের মাধ্যমে সকলকে স্ব-স্ব দখল বুঝিয়ে দেন লিখিত দখলনামা দিয়ে দেন সে অবধি থেকে তারা শান্তিপূর্ণ ভাবে বসবাস করছে। সংঘবদ্ধ চক্রটি সাধারণত ভূমিদস্যুর নেয়ায় ২০০৯ সালে শ্যামনগর সরকারি জজ আদালতে ৭৩/০৯মোকদ্দমা রুজু করেন সরকারের বিরুদ্ধে উক্ত মোকদ্দমা ২৯/০৫/২০১৬তারিখে বিজ্ঞ আদালতে তা খারিজ করে দেন,২০১৮ সালে এসে গোপনে অসাধুপায় অবলম্বন করে ৭৩/০৯ নং মামলাটি পুনরায় চালু করেন। এদিকে ভূমিহীনদের কে হয়রানি করার জন্য ডিসিআর গ্রহীতাদের নামে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আদালতে ডিসিআর বাতিলের জন্য ১৮/২০১৮নং মামলা করেন।যাহা ২৮/০৫/২০১৯তারিখে দোতরফা সূত্রে আপিল আবেদন নামঞ্জুর করেন এবং ডিসিআর বহাল রেখে আবার ডিসিআর দেওয়ার আদেশ দেন।পরবর্তীতে ১৫/০৯/২০২০ তারিখে ২৮/৫/২০১৯ তারিখের আদেশ শ্যামনগর সহকারী জজ আদালতে ৭৩/০৯ নং মকোদ্দময় স্থগিত করেন সংঘদ্ধ চক্রটি।এসব করার পর তাদের অত্যাচারের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় ভূমিহীন রা উপায়ন্তর না দেখে জেলা জজ আদালতের স্মরনাপন্ন হলে বিজ্ঞ আদালাত ১৫/৯/২০ তারিখের আদেশ বাতিল করে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আদালতের ১৮/১৮ নং মামলার ২৮/৫/১৯ তারিখের আদেশ বহাল রাখেন এবং পুনরায় আবার বন্দোরবস্তা দেয় সরকার।

ইতোমধ্যে তারা বিভিন্ন মিথ্যা মামলা হামলায় ওই ভূমিহীনদের জড়িয়ে দিয়েছে, সর্ব শেষ ২০ ডিসেম্বর ২০ তারিখে ভূমিহীনদের ঘরবাড়ি ভাংচুর সহ অগ্নিসংযোগ করে উল্টো মিথ্যে মামলা করে হয়রানি করে।তারা এতটাই প্রভাবশালী হওয়ার কারনে তাদের বিরুদ্ধে কিছুই করতে পারেনি একটা সংবাদ সম্মেলন ছাড়া।
উৎপল মণ্ডল বাদী হয়ে ১৭১২ নং মামলা ২০১৮ সালে ADM কোর্ট যা ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা সরোজমিনে তদন্ত করে তদন্ত প্রতিবেদন দিয়ে দেন দখল ভূমিহীনদের পক্ষে।পরে আবার ১১২৩/১৯ নং মামলায় ও তাই করেন। আবার এদিকে ওই চক্রটি এতটা সুবিধাভোগী যে, সরকারি সম্পত্তি মালিকানা দাবি করে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করছে অন্যদিকে বাংলা ১৪২৪ সালে হিমাংসু এবং প্রদিপ ও হিমাংশু ১৪২৫ সালে আবার ডিসিআর নেওয়ার জন্য আবেদন করে। কিন্তু তারা ভূমিহীন না হওয়ায় তাদেরকে ডিসিআর দেওয়া হয়নি। এমতাবস্থায় সংঘবদ্ধ চক্রটি আরো আক্রমনাত্নক ও হিংস্র প্রকৃতির হয়ে উঠতে থাকে। যা পরবর্তীতে জাল কাগজপত্র বানিয়ে সরকারি সম্পত্তি মালিকানা দাবি করে।
সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করে উক্ত সম্পত্তি দখল করে নিতে থাকে।

ইতোমধ্যে জানা যায় যে ভূরুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাহেব গ্রাম বাসিন্দাদের সুবিধা চিন্তা করে জনসাধারণের পানি নিকাশন জন্য সরকারী জায়গা দিয়ে খাল খনন করার উদ্যেগ নিলে ঐ ভূমি দখলকারী চক্রটি উক্ত চেয়ারম্যান মেম্বার সহ মোট ১০ জনকে বিবাদী করে শ্যামনগর সরকারী জজ আদালতে ৪৭/২০২১ নাং মামলা রুজু করে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চায় যা বর্তমানে চলোমান এবং খাল খনন বন্ধ করে দিয়েছে।

এই ভূমি দস্যুদের টার্গেট হলো খাসখাল,খাস সম্পওি ও দূর্বল অসহায় গরীব ভূমিহীন ব্যক্তিগন যাতে সহজে তাদের ঘায়েল করতে পারে। ঐ চক্রটি চালাক ও ধুর্ত প্রভাবশালী যার কারণে যে কোন কিছুতেই সংখ্যালঘুর দোহায় দিয়ে থাকে দখলবাজি করে থাকে স্থানীয় সূএ জানাযায় অন্যের জমি নিজদের নামে রেকর্ড নিয়ে তাদেরকে দখলুচ্যুত করে থাকে বলে অভিযোগ রয়েছে।তাদের এই জাল জালিয়াতি করা খুব সহজ বিষয় কারণ ওদের মধ্যে অধিকাংশ পেশায় কেউ মহুরি আবার কেউ আমিন যেমন কিশোরী মোহন মন্ডল মহুরি শ্যামনগর সেটেলমেন্ট থাকে বাড়িতে নিজেদের উকিল ও রয়েছে গ্রামের গরীব পরিবার গুলো অনেক ভয় পায় এই চক্রটির।

এই বিষয় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য জি এম আল- আমিন বলেন আমি এই ভূমিহীন পরিবার এর পক্ষে কথা বলায় আমাকেও মিথ্যা মামলায় হয়রানি করছে।




সম্পাদক ও প্রকাশক :

অফিস লোকেশন:

ফোন:

ই-মেইল:

Copyright  @ JagoBarta.  All right reserved. Website Hosted by www.bdwebs.com